“” “”

Showing posts with label Filmi Duniya. Show all posts
Showing posts with label Filmi Duniya. Show all posts

Friday, 26 June 2020

অভব্যতা করায় অলোকনাথকে প্রকাশ্যে চড় মারেন, পরে তাঁর ‘চক্রান্তেই’ বলিউড থেকে হারিয়ে যান নায়িকা নভনীত

ইন্ডাস্ট্রিতে রটে অনেক কিছুই। আর কথাতেই তো বলে, যা রটে তার কিছু ঘটেও বটে। আদর্শ বাবার চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা অলোকনাথও যে এক সময় নানা ভাবে হেনস্থা করেছিলেন এক উদীয়মান বলি-অভিনেত্রীকে, সে খবর অনেকেরই অজানা। শুধু তাই নয়, তাঁর জন্যই নাকি উজ্জ্বল কেরিয়ার মুখ থুবড়ে পড়েছিল সেই অভিনেত্রীর, অভিযোগ এমনটাই ।
https://www.anandabazar.com/

Wednesday, 24 June 2020

সুশান্ত সিংহ, উত্তমকুমার... এবং প্রসেনজিৎ

লিখেছেন: শ্রীজাত

সুশান্ত সিংহ (রাজপুত) থাকলেন না। বলা যথাযথ হবে, থাকতে পারলেন না। পারলে, কে না থাকে। স্বভাবতই, দেশ জুড়ে এই প্রশ্ন উঠছে, চলে যেতে হল কেন তাঁকে? খ্যাতি, প্রতিপত্তি, একের পর এক প্রশংসিত অভিনয়, সাধারণ দর্শকদের উপচে পড়া ভালবাসা সত্ত্বেও, এই প্রাণঘাতী পথ কেন তাঁকে ডেকে নিল?
প্রাণঘাতী পথ বেছে নেওয়া যদিও নতুন কিছু নয়। মহাভারতের ভীষ্ম থেকে মহাতারকা মেরিলিন মনরো, নানা সময়ে, নানা কারণে, নানা মানুষ আত্মঘাতী হয়েছেন। কিন্তু চিত্রতারকাদের কথাই কেবল যদি ধরি, আমরা দেখব, তাঁদের জীবনে এক বিশেষ ধরনের ট্র্যাজেডি জড়িয়ে থাকে। তাই, মেরিলিন মনরো একাই নন, আত্মঘাতের তালিকায় আছে আরও সব উঁচু নাম। এমনিতে, মানুষমাত্রেই বিষাদের শিকার। জীবনে নিরাশা, ব্যর্থতা তো থাকেই। এ সবেরই ধারাবাহিক আঘাতে এক সময়ে অবসাদ আসে। কিন্তু সেই অবসাদ মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে ভারসাম্য টলে যেতেও পারে। আর তখনই মানুষ বেছে নেয় আত্মহননের পথ। 
হ্যাঁ, এ কথা ঠিক যে, নক্ষত্ররা ভিন্ন। তাঁদের রূপের বিচ্ছুরণই হোক, আর পর্দায় সব রকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারার কারণেই হোক, তাঁরা সাধারণ দর্শকের কাছে রোল মডেল। আদর্শ জীবনের প্রতিরূপ। তাই আমরাও তাঁদের অনুকরণ করতে চাই প্রতি পদক্ষেপে। কিন্তু মনে রাখি না, নক্ষত্র হয়ে ওঠা মানুষও দিনের শেষে আমাদেরই মতো এক জন। হয়তো আমাদের চেয়ে বেশি রূপবান, বা বিত্তশালী তাঁরা, আমাদের চেয়ে খ্যাতিও তাঁদের বহু গুণ বেশি, কিন্তু শেষমেশ তাঁরাও আমাদেরই মতো। https://www.anandabazar.com/

Saturday, 20 June 2020

‘গডফাদার নেই, ন্যাকামোও করিনি, যাইনি বিছানাতেও, তাই প্রাপ্যও পাইনি কোনও দিন’

একটি ভিডিয়ো, আর তাতেই টলিপাড়ায় ঝড় তুলেছেন শ্রীলেখা মিত্র। টলিউডের একাধিক তারকার নাম উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকমের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।সেই ভিডিয়ো ঘিরে আপাতত তর্ক-বিতর্ক, লাইক-শেয়ারের বন্যা চলছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। এ সবের মধ্যেই শুক্রবার শ্রীলেখা বলছেন, তাঁর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ, হারানোর কিছু নেই তাঁর।
বৃহস্পতিবার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে টলিপাড়ার স্বজনপোষণের ইতিহাস নিয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী  নেটাগরিকরা বলছেন, ভিডিয়ো নয়, বোমা ফাটিয়েছেন শ্রীলেখা। তাঁর সেই ভিডিয়ো প্রসঙ্গে এ দিন শ্রীলেখা বলেন, ‘‘জীবনে কোনওদিন কোনও রাজনৈতিক দল করিনি।কোনও দাদাকে মঞ্চে উঠে রাখিও পরাইনি।প্রযোজক-পরিচালকের সঙ্গে বেড শেয়ারও করিনি। আমি ভয় পাব কাকে? কী হারানোর আছে আমার?” 
সুশান্তের অবসাদ, কাজ হারানোর যন্ত্রণা, বহিরাগত হয়েও নিজেকে প্রমাণের আপ্রাণ চেষ্টা এবং নিজের কেরিয়ায়ের প্রথম দিকের কিছু ঘটনাকে একই পঙ্‌ক্তিতে বসিয়ে শ্রীলেখা ওই ভিডিয়োতে বলেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনও গডফাদার ছিল না। কিছুর বিনিময়ে ছবি পাইয়ে দেওয়ারও কেউ ছিল না। সিরিয়াল থেকে ওড়িয়া ছবি। সেখান থেকে বাংলা ছবি... নায়িকার চরিত্র পেতাম না প্রথম দিকে। তখন ইন্ডাস্ট্রি মানেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আমি তাঁর বোনের চরিত্রে অভিনয় করছি। আমি জানি আমার নায়িকা হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। কিন্তু ওই যে আমার কোনও গডফাদার নেই। আমার কোনও অভিনেতার সঙ্গে প্রেমও নেই। তখন ঋতুপর্ণার সঙ্গে প্রসেনজিৎ-এর প্রেম।” এখানেই থামেননি তিনি, বলতে থাকেন, “বুম্বাদাই চালাত টলিউডকে। পরিচালকরা ওঁর পায়ের কাছে বসে থাকত। ঋতু দেরি করে শুটিং ফ্লোরে আসত। সবাই ওর জন্য অপেক্ষা করত। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওকে পরের পর ছবিতে নেওয়া হত। অন্য দিকে আমাদের প্রমাণ করতে হত আমরা টাইমে আসি।”  https://www.anandabazar.com/entertainment/

Chaitali Chatterjee II The World Traveller II Visit to The USA II Sounds of Silence

চৈতালি চ্যাটার্জী আমেরিকায় নায়াগ্রা জলপ্রপাত ভ্রমণের স্মৃতি আজও আমার মনে উজ্জ্বল  “আমি মানব একাকী ভ্রমি বিস্ময়ে” ২০১৬ সালের  ফেব্...